blogger widgets
শুভ্র ভাই এর লেখালেখির জগতে স্বাগতম! Welcome!
আমাদের ব্লগে ধর্ম -এর লেখা সকল পোস্ট।
ধর্ম লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সমকামী মুসলমান হওয়াই কি অপরাধ?

আজকাল ফেসবুকে এক শ্রেণীর মানুষের মাঝে নিজেকে গোপন করার তত্ত্ব প্রকাশ করতে দেখছি। তাদের মত না হলে নাস্তিকদের মত সমকামীদেরও উগ্র মৌলবাদীদের জিঘাংশার শিকার হতে হবে। নিজের হৃদয়াপোলব্ধি থেকে আমি বুঝতে পারি আমার ছেলেদের আকর্ষন কাজ করে এবং জীবনের বাকী অংশ একজন পুরুষের সাথে কাটিয়ে দেয়ার বাসনা হৃদমাঝারে অংকুরিত হয়। আচ্ছা সমকামী হওয়ার কারণে আল্লাহ সুবহানু তায়ালা কি আমাকে ঘৃণা করেন? আল্লাহ এই সমগ্র বিশ্বজাহান সৃষ্টি করেছেন। এবং তিনি এও এরশাদ করেছেন যে বিনাকারণে তিনি কোন কিছু সৃষ্টি করেন নাই। সন্তান যতবড় অপকর্ম করুক না কেন একজন পিতা মাতা তার সন্তানকে কখনো ঘৃণা করেন না। তাহলে স্রষ্টা কিভাবে তার আপন সৃষ্টিকে ঘৃণা করবেন। তিনি তো রহমানির রহিম।

শুধু মুসলিম বললে ভূল হবে বাঙালি সমাজের লোকেরা সকল হিজড়াকে সমকামী হিসেবে জানে। মা অনেক সময় বলেন, "তোমার কোন সমস্যা হলে আমাকে বলবে, কারণ আমার মত কেউ তোমার আপন হবেনা "। আমি আমার বাবা মাকে সব সত্য বলে দিতে চাই। কিন্তু পরক্ষণেই আমি ভয়ে পিছিয়ে যাই। আমি আমার বাবা মাকে ভালোবাসি। খুব ভালোবাসি। আমি পুরো সমাজের কাছে তাদের লাঞ্চিত করতে পারি না। আমি চাইনা সমাজ তাদের এক ঘরে করুক। আমি কখনোই চাইনা তাদের সন্তান গে হওয়ার অপরাধে সমাজের কাছে তারা উপহাসের পাত্র হোক।

টিপিক্যাল মধ্যবিত্ত বাঙালি বাবা মায়ের চিন্তাভাবনা আমাদের সবার জানা। ছেলে লেখা পড়া শেষ করে ভালো একটা চাকরি পাওয়ার পর বিয়ে করে নাতি নাতনীর জন্ম দেবে যাদের সাথে হেসে খেলে বুড়ো বয়সটা পার করে দেয়া যায়। চাপাকষ্ট বুকে নিয়ে বসত করি। ছোট ভাইয়ের সামনে বাবা মা আমার বিয়ের প্রসঙ্গ আলোচনা করেন। আমি লাজুক হাসি, প্রসঙ্গ পরিবর্তনের চেষ্টা করি অথবা সেখান থেকে উঠে যাই। কিন্তু ভাবনায় সিডর, হৃদয়ে আইলা বয়ে যায়।



বিষমকামীরা যেভাবে মেয়েদের নিয়ে আলোচনা করে আমি আমার বন্ধুদের সাথে সেভাবে ছেলেদের নিয়ে কথা বলতে পারিনা। অনিচ্ছা সত্ত্বেও স্কুল কলেজের বন্ধুদের সাথে মেয়েদের সৌন্দর্য্য নিয়ে আলাপ করতে হয়। আমি চিৎকার করে বলতে পারি না, "দোস্তরা, আমি গে!" অনেক সময় আমার বন্ধুরা গে দের নিয়ে কৌতুক করে। তাদের অট্টহাস্যে আকাশ ভারী হয়। আমি তাদের পাশে দু:খভারাক্রান্ত মনে নি:শ্চুপ বসে থাকি। সমকামীদের সমর্থন করে কিছু বলতে পারিনা। সব যুক্তি তর্ক তখন হাওয়া হয়ে যায়। আমি জনতার সামনে , বন্ধুদের সামনে অপমানিত হওয়ার সাহস রাখি না।

কিন্তু পৃথিবীতে এমন অনেক দেশ আছে যেখানকার সমকামী ভাই বন্ধুটি তার জীবনটাকে নিজের মত করে উপভোগ করতে পারছে। তাদের আছে স্বাধীনতা। প্রকাশের স্বাধীনতা। পরিবারের কাছে, বন্ধুদের কাছে তারা সব খুলে বলতে পারে। আমার কল্পনাতেও যা কখনো আসবে না।

রোমানদের অদ্ভুত সমকামী শাস্তি!

পায়ুকামের প্রথা প্রাচীন। লিখিত সূত্র ধরে এগোলে এর মূল খূঁজে পাওয়া যায় ইব্রাহিম আলাহিওয়াসালামের যুগ পর্যন্ত। কিন্তু যেহেতু বাইবেল থেকে উদ্ধৃতি দেবো তাই ইব্রাহিম না বলে আব্রাহাম বলবো। বাইবেলীয় সময়ে মৃত সাগরের নিকটবর্তী এলাকায় সোদম বলে একটি জনবসতি ছিলো। তখন তো আর ডেড সি ছিলো না। এই এলাকা ধ্বংস করে দেয়ায় ডেড সি'র উৎপত্তি হয়েছে। বর্তমানে যে জর্ডান দেশ আছে ওখানে। কেন ধ্বংস করে দেয়া হলো এই এলাকা। আসুন বাইবেলের পাতা উল্টাই। জেনেসিসের ১৯ নং অধ্যায়ের ৫ থেকে ৮ নম্বর বাক্য বর্ণণা করা যাক। "গড মনোক্ষুন্ন হলেন - তিনি কিছু প্রতিবেশী শহরসহ এলাকাটি ধ্বংস করে দিতে চাইলে কিছু ভালো মানুষ যেমন তার ভাইপো লট (আরবিতে লুত (আঃ)) এবং তার পরিবারকে রক্ষা করতে আবেদন জানালেন। গড দুজন এঞ্জেল (দেবদূত বা ফিরিশতা) পাঠালেন ইনভেস্টিগেট করতে। নতুন মাল দেখে খুব শীঘ্রই পায়ুকামী ব্যক্তিদের দ্বারা তারা আক্রান্ত হলেন। ঐশ্বরিক অথিতিদের রক্ষা করার লক্ষ্যে লট তার যুবতী দুই কন্যাকে জনসন্মুখে হাজির করে করে বললেন, এদেরকে নাও, এরাও ভার্জিন!"

আপাতত বাইবেল বন্ধ করেন। একটা প্রশ্ন রাখি। হোক লুত নবী ছিলেন। কিন্তু তিনি তো একজন পিতা ছিলেন। একজন পিতা কিভাবে পারেন সমকামিতাকে বন্ধ করতে নিজের মেয়েদেরকে গণধর্ষণের মুখে ঠেলে দিতে যারা কিনা কুমারী ছিলো, যাদের সত্বীচ্ছদ পর্দা তখনো ফাঁটে নাই। যাই হোক এই সব জটিল প্রশ্নের সহজ উত্তর দেয়ার কেউ নাই। প্রশ্ন করলে পাদ্রী থেকে মৌলভী তেড়ে মারতে আসে। আসুন বাইবেল থেকে আল কোরআনে যাই। পবিত্র কোরআনের ১৪ জায়গায় সমকামিতার উল্লেখ আছে। এক জায়গায় সমকামিতার অপরাধে সোদম ও গোমরাহ নগরবাসী তথা আদ, সাদ ও লুত (আঃ) এর কওমকে ধ্বংস করে দেয়ার কথা বলা হয়েছে। ফিরিশতা জিবরাইল (আঃ) এসে ঐ স্থানকে উলটে দিলে মৃত সাগরের জন্ম হয়। মৃত সাগরের পানিতে মাত্রাতিরিক্ত লবনের উপস্থিতির কারণে সেখানে কোন প্রাণী জন্মে না। এজন্যি এটার নাম মৃত সাগর। অতিরিক্ত লবনের ঘনত্বের কারণে আপনি এখানে ভেসে থেকে পেপার পর্যন্ত পড়তে পারবেন। ইংরেজীতে পায়ুকামকে সোডোমি বলে যা এই সোদম নগরের নাম থেকে এসেছে।

এইবার ধর্মীয় বই থেকে চলেন ইতিহাস পড়ি। ইতিহাসে সমকামীতার উদাহরণ ভূরি ভূরি। গ্রীক রোমান যুগে এটা তো উচ্চমার্গে পৌঁছে গিয়েছিলো। মহামতি আলেক্সান্দার দ্যা গ্রেটের বয়ফ্রেন্ড ছিলো। এমনকি সেই সমাজে প্রকাশ্যে সমকামিতা প্রচলিত ছিলো। যারা আলেক্সান্ডার চলচ্চিত্রটি দেখেছো তারা নিশ্চয় একটা দৃশ্যে দেখেছো যুবক আলেক্সান্ডারের পিতা সম্রাট (নাম মনে পড়ছে না) প্রকাশ্য পার্টিতে আগত এক যুবকে চেপে ধরে মেরে দিলেন। তবে সেটা মোরগ সেক্সের মত এত সংক্ষিপ্ত ছিলো যে ঠোঁটের কোনায় হাসি আসলোই। একটা মজার আইনের কথা বলে আজকের কচকচানি শেষ করবো। আমি জানি সবাই না হলেও অনেকেই তোমরা এই দীর্গ স্ট্যাটাসের এই পর্যন্ত চলে এসেছো। গ্রীকো-রোমান যুগের শেষ ভাগে সমকামিতা তার সৌন্দর্য্য হারায়। তখন নারীকামিতাই সেক্সের মূখ্য অঙ্গ হয়ে দাঁড়ায়। এই সময় পেডিকো বলে একটা আইনের প্রচলন হয়। নারী পুরুষের যে কেউই এই আইনে শাস্তি পেতো। এই আইনে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তি পা* মারার সুযোগ পেতো। অথবা অভিযুক্ত ব্যক্তি বিশাল সাইজের একটি র‍্যাডিশ বা মুলা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করতে পারতো। কোথায় নিয়ে দাঁড়াতে হতো সেটা আমাকে জিজ্ঞেস না করে শেরপুরের নাঁটাকে জিজ্ঞেস করো। গুগল সার্চ থেকে জানা যায় সে এই বিষয়ে যুক্তরাজ্যের মিডলসেক্স ইউনিভার্সিটি থেকে পিএইচডি ডিগ্রিধারী! লুল।

হিন্দু ধর্মে সমকামিতার শাস্তি!

হিন্দু ধর্মে সমকামিতার শাস্তি কি?
যারা সমকামী তা সে ধর্মেরই হোক তারা এটুকু জানেন সমকামিতার শাস্তি সম্পর্কে ইসলাম বরাবরই সোচ্চার। পবিত্র আল কোরআনের ১৪ জায়গায় সমকামিতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু পৃথিবীতে সমকামীদের কি শাস্তি হওয়া উচিত এই বিষয়ে কোন প্রত্যক্ষ বিধান দেয়া হয় নাই। তবে অধিকাংশ ধর্মবিশারদের মতে সমকামিতার শাস্তি রজম বা পাথর নিক্ষেপ করে হত্যা করা। খ্রিস্টান ধর্মেও সমকামিতাকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আব্রাহামিক রিলিজন বা ইব্রাহিমীয় ধর্মমত গুলোতে সমকামিতার বিপক্ষে এত প্রবল মত কেন এসেছে সে বিষয়ে আমার নিজস্ব একটি ধারণা আছে তবে তথ্যসূত্র দিয়ে সেটা প্রমান করতে পারবো না। এটা আমার একান্তই নিজস্ব ধারণা। তবে আজকে আলোচনা করবো হিন্দুধর্মে সমকামিদের কি বিধান রাখা হয়েছে।

এতদিন আমার ধারণা ছিলো হিন্দু ধর্মে প্রত্যক্ষভাবে সমকামিতার বিপক্ষে কিছু বলা হয় নাই। বন্ধু কাম ছোট ভাই রাজা বাবুর সহায়তায় বেশ কিছু তথ্য যোগাড় করতে সমর্থ হলাম। হিন্দুধর্ম সহ সকল মুর্তিপূজারী ধর্মে নির্দিষ্ট কোন গ্রন্থ নেই। তারা নিজেরাও বলতে পারে না কোনটি তাদের মূল ধর্মগ্রন্থ। ধারনাটি ভাসাভাসা। কেউ বেদ বললে অন্যজন বলে গীতা। তবে এই প্রশ্নের সমাধান করা আমার লক্ষ্য নয়। হিন্দুশাস্ত্রে তৃতীয় প্রকৃতি উল্লেখ পাওয়া যায়। এটা কি পুরুষের মাঝে নারী সত্তার উপস্থিতি অথবা তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিদের উল্লেখ করা হয়েছে আমি নিশ্চিত নই। প্রাচীন হিন্দু সমাজের কোন কোন অংশ এই তৃতীয় প্রকৃতির পূজার উল্লেখ আছে। দক্ষিণ ভারতে অর্ধনারীশ্বর বলে একজন দেবতার পূজা করা করা হয়।

তবে সমকামিতাকে কি হিন্দু সমাজ গ্রহন করেছে? স্বীকৃতি দিয়েছে। না। হিন্দুদের ফিকাহ বা আইনশাস্ত্র বলা যায় মনুস্মৃতি কে।। এই গ্রন্থে হিন্দুদের জীবনাচারণের বিভিন্ন বিধান প্রদান করা হয়েছে। এই গ্রন্থের কয়েকটি স্থানে সমকামিতার শাস্তি উল্লেখ করা হয়েছে যদিও তা রজমের মত গুরুতর নয়। পৃথিবীতে এখনও ৪৪ টি দেশে সমকামিতার শাস্তি হিসেবে জেলদন্ডের বিধান বলবৎ আছে। সৌদি, আরব, মিশরসহ অনেকে দেশে সমকামিতার শাস্তি মৃত্যুদন্ড। একদা ইতালিতেও সমকামিতার শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদন্দ দেয়া হতো।

হিন্দুধর্মে দেবদেবীদের মাঝে সমকামি বৈশিষ্টের ইঙ্গিত পাওয়া যায়। যেমন দেবতা চন্দ্রের সৌন্দর্য্যে অনেক দেবতার মুগ্ধ হওয়ার উল্লেখ আছে। দেবদেবীদের বাইরে ভাগীরথের জন্মবৃতান্তে একটি থ্রিসাম গল্পে আছে। সন্তানহীন অবস্থায় অযোধ্যার রাজা দিলীপ মারা যান। থাকে তার দুই বিধবা স্ত্রী। এই সূর্য্যবংশে বিষ্ণুর অবতার হয়ে আসার কথা। কিন্তু বংশ নির্মুল হলে সেটা কিভাবে সম্ভব! তখন ব্রহ্মা এর প্রতিকার করার জন্য শিবকে পাঠালেন। শিব এসে দুই বিধবাকে বর দিলেন যে তাদের একজনের গর্ভে পুত্র সন্তান জন্মাবে। প্রমানের জন্য পড়ুন বাংলা কৃত্তিবাসী রামায়ণের আদিকাণ্ডের "গঙ্গার জন্ম-বিবরণ ও মর্ত্ত্যলোকে সগরের গঙ্গা আনিতে গমন ও ভগীরথের জন্ম" নামক পর্ব।

মনুসংহিতার অষ্টম অধ্যায়ের ৩৬৯ এবং ৩৭০ নম্বর ছত্রে দুজন নারীর মধ্যে সমকামিতা সংঘটিত হলে কি শাস্তি হবে তার উল্লেখ আছে।

*যদি দুই কুমারীর মধ্যে সমকামিতার সম্পর্ক স্থাপিত হয়, তাহলে তাদের শাস্তি ছিলো দুইশত মূদ্রা জরিমানা এবং দশটি বেত্রাঘাত (Manu Smriti chapter 8, verse 369.)

* যদি কোন বয়স্কা নারী অপেক্ষাকৃত কম বয়সী নারীর (কুমারীর)সঙ্গে দৈহিক সম্পর্ক স্থাপন করে,তাহলে বয়স্কা নারীর মস্তক মুণ্ডন করে দুটি আঙ্গুল কেটে গাধার পিঠে চড়িয়ে ঘোরানো হবে’ (Manu Smriti chapter 8, verse 370.)।

তবে নাঁটুবাবুরা কি ছাড়া পেয়ে গেলো? তারা কি ইচ্ছে মত পুরুষগমন করে বেড়াতে পারবে। জি না। তাদের জন্য কিঞ্চিত বিধান রাখা হয়েছে। কি সেটা? আসুন আবার মনুস্মৃতি খুলি। ১১ নম্বর অধ্যায়ের ১৭৫ নম্বর ছত্র।
*দু’জন পুরুষ অপ্রকৃতিক কার্যে প্রবৃত্ত হলে তাদেরকে জাতিচ্যুত করা হবে এবং জামা পরে তাকে জলে ডুব দিতে হবে (Manu Smriti Chapter11, Verse 175.)।

কি রে অস্টিন গত পূজোয় কেনা নতুন জামাটা পরে জলে ডুব দিতে রাজি আছিস তো! দিতেই কিন্তু হবে। রোমান সম্রাজ্যে দাসদের মানুষ হিসেবে গণ্য করা হতো না। তাদেরকে সম্পত্তি হিসেবে গণ্য করা হতো। তুমি যদি অন্য কারো দাসকে ধর্ষণ করো তবে সে রোমান আইনে তোমার বিরুদ্ধে সম্পত্তিহানির অভিযোগ আনতে পারতো। ভারতীয় সনাতন হিন্দু ধর্মও পুরুষকে সব কিছুর জন্যে উর্ধ্বে নিয়ে গেছে। স্ত্রী মারা গেলে স্বামী টোপর পরে কুমারী মেয়ে বিয়ে করতে চলতো। না মরলে রাড়ী রাখতো। অন্যদিকে স্বামী মারা গেলে সদ্যবিধবা নারীকে বৈধব্যের জ্বালা থেকে মুক্তি পেতে স্বামীর সংগে একই চিতায় জীবন্ত পুড়ে মরতে হতো। তথ্যসূত্র চাইলে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের পূর্ব পশ্চিম প্রথম খন্ড পড়ে দেখতে পারেন।

ধর্মের জন্য মানুষ নয়, মানুষের জন্যই ধর্ম।